ইউটিউব মার্কেটিং করার নিয়ম

আধুনিক যুগে ইউটিউব একটি জনপ্রিয় অ্যাপ। বিভিন্ন মার্কেটিং অনলাইন মাধ্যমের চেয়ে  ইউটিউব একটি লাভজনক মাধ্যম। আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে ইউটিউব মার্কেটিং করার নিয়ম সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব। অনেকের মাঝেই এটি অজানা। তাই আজ আমাদের আর্টিকেলের মাধ্যমে ইউটিউবে মার্কেটিং করার সুবিধা সমূহ ও ইউটিউবে মার্কেটিং কত প্রকার। 

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEijjUJwXkGNLPAfBSkwpB0o8IhnFcHXidEgth_a_siEaqKtUBZsU6Bobdz85jGIZMPcjbueXFvwk2NJQC-RchdqTZ5ZH8o6jc1t9Morp0up4qmtDDbHhnBjqZX1fpvcYfWeH3unHBRiD3bZ8viz3nUuljAbCbNh9WYBvVjyeP_N13EASoRpITFvXs8-4gc/s320/%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%AC%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%82%20%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE.jpg

পোষ্ট সূচিপত্রঃকিভাবে মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন তা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আলোচনা করব। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের পাশে থাকুন ও আমাদের আর্টিকেলটি পড়ুন।

ইউটিউবে মার্কেটিং করার সুবিধা সমূহ

ইউটিউবে মার্কেটিং করার সুবিধা সমূহ সম্পর্কে ও ইউটিউব মার্কেটিং করার নিয়ম সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত জানবো।

ইউটিউব হল এক ধরনের প্ল্যাটফর্ম যেখানে মানুষ অনলাইনে নানা ধরণের ভিডিও আপলোড করে থাকে। তবে ইউটিউবে মার্কেটিংও করা যায়। এর নানা সুবিধাও আছে। মার্কেটিং সঠিক নিয়ম জানা থাকলে এসব সুবিধা ভোগ করা সম্ভব। 

ইউটিউব এর ইংগেজিং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম এর চেয়ে ভালো। তাই সহজেই অনেক মানুষের কাছে মার্কেটিং করা যায়। আবার এখানে মনিটাইজেশন এর সুযোগও রয়েছে। ক্রিয়েটিভ আউটলেটও তৈরি করা যায় এখানে। অডিয়েন্সদের ইনফ্লুয়েন্স করার সুযোগ থাকে। তাই এখানে মাকের্টিং করলে পণ্য বিক্রির সুযোগ ভালই থাকে। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা ইউটিউব এর মার্কেটিং করার সুবিধা সমূহ সম্পর্কে জানলাম।

ইউটিউবে মার্কেটিং কত প্রকার

ইউটিউবে মার্কেটিং কত প্রকার  সে সম্পর্কে আমার বিস্তারিত আলোচনা করব। ইউটিউবে মার্কেটিং বিভিন্ন ভাবে করা যায়। ইউটিউব মার্কেটিং করার নিয়ম সম্পর্কেও জানবো।

ইউটিউবে মার্কেটিং করার একটি পদ্ধতি হলো, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং। এটি বেশ কার্যকরি উপায় ।এখানে জনপ্রিয় ইউটিউবার দের কিছু টাকা প্রদান করলে তারা এটির বদলে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে নিজের ভিডিও তে বলবে। মানুষ জানাবে । ফলে ওই ইউটিউবার এর দর্শকরা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানবে। আর আপনি লাভবান হবে ।

আরো একটি পদ্ধতি হলো ভিডিও অ্যাডস। যেহেতু ইউটিউব একটি ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম তাই এই পদ্ধতিও ভালো।এই পদ্ধতিতে পেইড ক্যাম্পেইন চালাতে হবে আপনাকে। আপনি যদি ইউটিউবে ভিডিও অ্যাডস করতে চান, তবে আপনাকে পেইড ক্যাম্পেইন চালু করে ইউটিউব কর্তৃপক্ষকে নিদিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হবে। 

ব্রান্ড চ্যানেল আরো একটি ইউটিউব মার্কেটিং পদ্ধতি। এই পদ্ধতি একটি সুবিধা হলো এটি ফ্রি।এই পদ্ধতি শুধুমাত্র নিজের পণ্য বা কোম্পানির নামের একটি চ্যানেল খুলতে হবে।যেখানে পন্য বিষয়ক ভিডিও দিতে হবে।তথ্য জানাতে হবে।এভাবে সবাই এই বিষয়ে জানবে। 

ইউটিউব মার্কেটিং একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো প্রোডাক্ট রিভিউ।এই পদ্ধতিতে জনপ্রিয় ইউটিউবারদের নিজস্ব পণ্য প্রদান করা হয়।আর তাদেরকে পে করা হয় যাতে তারা পন্যটির রিভিউ দেয়। এভাবে ইউটিউব এর মাধ্যমে মার্কেটিং সম্ভব। তাই উপযুক্ত তথ্য শেষে আমরা ইউটিউবে মার্কেটিং কত প্রকার তা সম্পর্কে জানলাম।

কিভাবে ইউটিউব মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন

কিভাবে ইউটিউব মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন বিস্তারিত আলোচনা করব। ইউটিউবে মার্কেটিং করতে হলে কিছু পদ্ধতি মেনে করতে  হবে তবেই সফল হওয়া সম্ভব। 

ইউটিউব মার্কেটিং এ সর্বপ্রথম লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে।কেননা লক্ষ্য ছাড়া ইউটিউব মার্কটিং করলে টাকা আর সময় দুটোই নষ্ট হবে।তাই নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা খুবই দরকারি। 

তারপর টার্গেটড অডিয়েন্স নির্বাচন করতে হবে। এই পদ্ধতিতে যে ধরণের পণ্য বা সেবা থাকবে সেই পণ্য বা সেবা নিতে ইচ্ছুক রিলেটেড অডিয়েন্স খুজে তাদের কাছে পণ্য বা সেবার তথ্য পৌছাঁয় দিতে হবে।তাহলে প্রফিট লাভ হবে।কেননা ভুল মানুষের এর কাছে পণ্য এর প্রচারণা করলে কোন লাভ হবে না। কারণ তার তো দরকার নেই তাই সে কেনই বা নিবে। 

হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে। যাতে কন্টেন্ট এর ভ্যালু হাই থাকবে।লো কোয়ালিটি এর কন্টেন্ট হলে ভ্যালু লো হবে। ফলে এটি কোন কাজে আসবে না।তাই অর্গানিক ভাবে মার্কেটিং করতে হলে হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট খুবই জরুরি। 

গুগল এড একাউন্ট ক্রিয়েন্ট করেও এই কাজ করা যাবে।ইউটিউব পেইড মার্কেটিং করতে চাইলে গুগল এড একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। 

ফেস্টিভাল আর ট্রেন্ডি কভার করতে হবে।ফলে বেশি মানুষের কাছে পৌছানো যাবে।টেন্ডিং জিনিস নিয়ে কন্টেন্ট বানিয়ে মার্কেটিং করলে বেশি ভিউয়ার পাওয়া যায়। আবার ফেস্টিবেল এর সময়ে মার্কেটিং করলেও ভালো সুফল পাওয়া যায়।বেশি মানুষ পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে পারবে। 

আরেকটি হল ভিডিও অপটিমাইজেশন। ভিডিও গুলো অপটিমাইজেশন না করলে সেগুলো সার্চ ইঞ্জিনে দেখাবে না।সার্চ ইঞ্জিনে কন্টেন্ট শো না করলে সেটি থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না। তাই অর্গানিকভাবে মার্কেটিং করতে হলে ভিডিও অপটিমাইজেশন জরুরি। 

এসব মেনে ইউটিউব মার্কেটিং করলে লাভবান হওয়া সম্ভব। পরিশেষে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে কিভাবে ইউটিউব মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম।

আমাদের শেষ কথা

ইতিমধ্যে আমরা  ইউটিউব মার্কেটিং করার নিয়ম, সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম। আশা করি  ইউটিউবে মার্কেটিং করার সুবিধা সমূহ, ইউটিউবে মার্কেটিং কত প্রকার। কিভাবে ইউটিউব মার্কেটিং নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন। 

এই সম্পর্কে সঠিক তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনারা সবাই উপকৃত হবেন। আরো নতুন নতুন তথ্য জানার জন্য আমাদের আর্টিকেল গুলো পড়ুন ও আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন । এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

fasttechit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url